চিরঘুমের দেশে গিরিশ কারনাড।।

 

 

মদনমোহন সামন্ত,১০ জুন, কলকাতা :
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ছ’টায় বেঙ্গালুরুতে মারাঠি নাট্যব্যক্তিত্ব ও পরিচালক-অভিনেতা গিরিশ কারনাড-এর জীবনাবসান হল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ । দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। ১৯৩৮এর ১৯ মে তৎকালীন বোম্বে প্রেসিডেন্সির বোম্বাইতে জন্মানো গিরিশ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রোডস স্কলার। গিরিশ বিয়ে করেছিলেন ডাক্তার সরস্বতী গণপতিকে। তাঁদের দুই সন্তান। ১৯৭০ সালে কন্নড় ছবি “সংস্কারা”তে তিনি প্রথম অভিনয় এবং চিত্রনাট্যতে হাতেখড়ি দিয়েছিলেন। “সংস্কারা” পেয়েছিল কন্নড় চলচ্চিত্রজগতে প্রথম রাষ্ট্রপতির স্বর্ণ কমল পুরস্কার। নাট্য ও চিত্রজগতে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন গিরিশ। বহু চলচ্চিত্র পরিচালনা করা গিরিশ পরিচালক হিসেবে নিজের কৃতিত্বের ছাপ রেখে গিয়েছেন। নাটক- চলচ্চিত্র-অভিনয়-পরিচালনা ছাড়াও সাহিত্যে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। পাঁচবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কারপ্রাপ্ত গিরিশ তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৪ সালে পেয়েছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার, ১৯৯২তে পদ্মবিভূষণ পুরস্কার, ১৯৯৮ তে জ্ঞানপীঠ পুরস্কার। তাঁর কয়েকটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে তাব্বালিয়ু নীনাড়ে মাগানে, ওন্ডানোন্ডু কালাডাল্লি , চৌধুরী, কাড়ু, কানুরু হেগ্গাদিতী এবং হিন্দি চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে নিশান্ত, মন্থন, স্বামী, পুকার, ইকবাল, ডোর, এক থা টাইগার, টাইগার জিন্দা হ্যায় প্রভৃতি বিখ্যাত। মালগুড়ি ডেজ, ইন্দ্রধনুষ-এর মত টেলিভিশন ধারাবাহিকে তাঁর অভিনয় নজরকাড়া ছিল। তিনি ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া’র ডিরেক্টর ছিলেন। সংগীত নাটক একাডেমির চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে আজ।

167total visits,8visits today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *