Thursday, February 12, 2026
Advertisement
Google search engine
الرئيسيةরাজ্যের খবরRetirement Age: ৬৫ বছরে অবসর রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের! জল্পনা থামিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

Retirement Age: ৬৫ বছরে অবসর রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের! জল্পনা থামিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল রাজ্যের শিক্ষক মহলে (Retirement Age)। শনিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি খবর (Retirement Age) ভাইরাল হয়, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের স্কুল শিক্ষকদের অবসরের (Retirement Age) বয়সসীমা ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তি কার্যত মুহূর্তের মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে (Retirement Age)। এতে অনেক শিক্ষক আনন্দিত (Retirement Age) হলেও, একই সঙ্গে শুরু হয় জল্পনা। তবে সেই জল্পনাকে কার্যত থামিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, কত বছর বয়সে শিক্ষক-শিক্ষিকারা অবসর (Retirement Age) নেবেন।

ভাইরাল হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, রাজ্যের শিক্ষকদের অবসর ৫ বছর বাড়ানো হয়েছে। তবে অনেকেই এই দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়। কেউ বলেন, এই সিদ্ধান্ত সত্যি হলে তা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হত। অন্যদিকে, কেউ এটিকে বিশ্বাস করে শেয়ার করতে থাকেন। বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেন অনেক শিক্ষক।

জল্পনা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি স্পষ্ট করতে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখেন। তিনি স্পষ্ট জানান, এই খবর ভুয়ো। তাঁর পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী লেখেন, “গতকাল রাতে কয়েকটি সমাজ মাধ্যমে একটি খবর প্রচারিত হয়েছে যে, রাজ্য সরকার শিক্ষকদের অবসরের বয়স বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ ভুল ও ভ্রান্তিমূলক। এমনভাবে ভুয়ো খবর ছড়ানোর প্রচেষ্টা বাস্তবিকই অর্থহীন। এ ধরনের বিভ্রান্তি সমাজমাধ্যমে প্রচার না করার আবেদন জানাচ্ছি।”

শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর আপাতত বিভ্রান্তির ইতি ঘটেছে। তবে এমন ভুয়ো বিজ্ঞপ্তি কীভাবে ছড়িয়ে পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সমাজমাধ্যমে ভুয়ো খবরের বিস্তার রোধে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার জমানায় ভুয়ো খবরের বিস্তার ঠেকাতে সচেতনতা এবং যাচাই করে তথ্য গ্রহণের উপর আরও জোর দিতে হবে, তা এই ঘটনাই ফের একবার প্রমাণ করল।

 

مقالات ذات صلة
- Advertisment -
Google search engine

الأكثر شهرة

احدث التعليقات