Sunday, February 15, 2026
Advertisement
Google search engine
الرئيسيةদেশের খবর‘শ্রমিক স্পেশ্যাল’ ট্রেন না ‘করোনা এক্সপ্রেস’? প্রশ্ন মমতার

‘শ্রমিক স্পেশ্যাল’ ট্রেন না ‘করোনা এক্সপ্রেস’? প্রশ্ন মমতার

 

খবরএইসময়,নিউজ ডেস্কঃ রাজ্যের অনুমতি না নিয়ে প্রবাসী শ্রমিকদের ভিনরাজ্য থেকে ট্রেনে করে পশ্চিমবঙ্গে ফেরত পাঠানোয় ফের একবার রেল মন্ত্রককে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনকে ‘করোনা এক্সপ্রেস’ বলে উল্লেখ করেন।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘আমরা নিজেরাই মানুষকে ভিড় করতে নিষেধ করি অথচ সেকথা নিজেরাই কখনো কখনো মানি না।’ মমতার প্রশ্ন, ‘ট্রেনে কেন একটা সিটে তিন-চারজন আসবে। ৪৮ ঘণ্টা যদি একগাদা লোক একসঙ্গে ঢোকানো থাকে, বদ্ধ ঘরের মধ্যে। তাদের মধ্যে করোনা কী ভাবে বাড়ছে?’

রেলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মমতা আরও বলেন, ‘যাকে পারছে ট্রেনে তুলে দিচ্ছেন। লোকগুলোকে না দিচ্ছেন একটু জল, না দিচ্ছেন একটু খাবার। কত লোক ট্রেনের মধ্যেই মারা যাচ্ছে। প্ল্যাটফর্মে মা মরে পড়ে রয়েছে চারদিকে তার সন্তান খেলে বেড়াচ্ছে।’রেল মন্ত্রককে মমতার প্রশ্ন, ‘শ্রমিক এক্সপ্রেসের নামে আপনারা কি এটাকে করোনা এক্সপ্রেস করতে চান?’

রেল মন্ত্রককে মমতার পরামর্শ, ‘করোনার রেড জোন থেকে কোনও চিকিৎসা না পেয়ে আসছেন এই শ্রমিকরা। তাই রেলেরই তো প্রথমে উচিত সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনটেইন করা। আপনারা কটা এক্সট্রা ট্রেন দিন না।’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভিনরাজ্য থেকে ট্রেন ঢুকলে অনেক সময় আইন-শৃঙ্খলার প্রবলেম হয়ে যাচ্ছে। মানুষ করোনা এক্সপ্রেস বলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন।’বলে রাখি, গত সপ্তাহেই ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের ফেরাতে ট্রেন চালাতে আর রাজ্যের অনুমতির দরকার নেই বলে জানিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। তার পর আমফানের জেরে কয়েকদিন এরাজ্যে ঢোকেনি ট্রেন। কিন্তু চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে ব্যাপক সংখ্যায় ট্রেন পশ্চিমবঙ্গে পাঠাতে শুরু করেছে রেল মন্ত্রক। আর ২ মাস ভুখা পেটে প্রবাসে থাকার পর সেই সব ট্রেনে গাঁতিয়ে উঠছেন শ্রমিকরা। তাতেই বাড়ছে সংক্রমণের আশঙ্কা।

 

 

مقالات ذات صلة
- Advertisment -
Google search engine

الأكثر شهرة

احدث التعليقات