আবারও একই পরিবারে করোনার থাবা তেহট্টে

তেহট্টের একই পরিবারের ৩ জনকে কল্যাণী কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া : শুক্রবার রাতে আবারও একই পরিবারের তিনজনের করোনা ভাইরাস ধরা পড়ল নদীয়া জেলার তেহট্ট-১ ব্লকে । এই নিয়ে এই ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা মোট ৩০ জন। গোটা জেলার মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেশি এই ব্লকে। এদিন যাদের করোনা ধরা পরে তাঁদের মধ্যে তিনজনেই পরিযায়ী শ্রমিক। কর্মসূত্রে এরা দিল্লিতে থাকে। দিন কয়েক  আগেই এরা দিল্লি থেকে বাড়ি ফেরে। তেহট্ট থানার নাটনা এলাকার স্কুল কোয়ারেন্টাইনে ছিল। দুজন নাটনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ও অন্যজন নাটনা উচ্চ বিদ্যালয়ে। স্বাস্থ্য দপ্তর দুই স্কুলে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকা ১৬ জনের সোয়াব টেস্ট করে। এদের মধ্যে ওই তিনজন পরিযায়ী শ্রমিকের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।এবং শনিবার রাতেই স্বাস্থ্য দপ্তর তাঁদের কল্যাণী কোভিড হাসপাতালে নিয়ে যায়।

পাশাপাশি ওই পরিযায়ী শ্রমিকরা স্কুলের মধ্যে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকলেও ওই এলাকায় কোনও কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়নি এবং যেহেতু ওরা প্রত্যেকেই বাইরে না বেড়িয়ে স্কুলের মধ্যে থেকে নিজেদের বন্দী করে রেখেছিল ফলে ওই এলাকার বাসিন্দারা কিছুটা হলেও স্বস্তিতে। স্বাস্থ্য দপ্তরের এক কর্তা বলেন, জেলার মধ্যে এই মহকুমাতে পরিযায়ী শ্রমিক বেশি ফিরেছে। তাঁদের মধ্যেই এই ভাইরাস বেশি ধরা পড়ছে। তবে তাঁরা স্কুলে থাকায় এখনও পর্যন্ত অন্য কারোও দেহে এই ভাইরাস ধরা পড়েনি। যে দুটি ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম ধরা পড়েছে। ওই দুটি ক্ষেত্রেই দুজনেই হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিল।

কিছুটা স্বস্তি পেয়ে এলাকার বাসিন্দারা বলেন, সোয়াব টেস্ট হওয়ার একদিনের মধ্যে রিপোর্ট আসায় আমরা খুব খুশি। যাদের করোনা পজেটিভ এসেছে তাঁরা কেউ বাইরে না থাকায় আমরা স্বস্তিতে। তাঁরা বলেন, জেলার মধ্যে আমাদের ব্লকে সব চেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। সেই নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি। বেশির ভাগ পরিযায়ী শ্রমিকের এই ভাইরাস ধরা পড়েছে। তাঁদের থেকে এখনও অবধি কোন সংক্রমণ তেমন ভাবে হয় নি। এতে কিছুটা হলেও আমরা স্বস্তিতে আছি।