‘আমি কেয়ারটেকার রাষ্ট্রপতি’,হাল ছাড়ছেন না আফগান উপ-রাষ্ট্রপতি

ফাইল চিত্র।

 খবর এইসময়,নিউজ ডেস্কঃ  বেপরোয়া তালিবান দেশের দখল নিয়েছে । সুযোগ বুঝে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।   এরই মধ্যে ‘সংবিধান মোতাবেক’ নিজেকে আফগানিস্তানের অভিভাবক হিসেবে দাবি করলেন আফগানিস্তানের প্রথম উপ রাষ্ট্রপতি আমরুল্লাহ সালেহ । নিজেকে কেয়ারটেকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষণা করে টুইট করেন তিনি। টুইটে  জানান, সংবিধান অনুযায়ী তিনি নিজের দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতি, পলায়ন, ইস্তফা কিংবা মৃত্যুর পর প্রথম উপ রাষ্ট্রপতি কেয়ারটেকার প্রেসিডেন্ট হয়ে যান। আমি এখনও আমার দেশেই রয়েছি। আমি আমার দায়িত্ব পালন করব। যাঁরা আমাকে শুনছেন আমি কাউকে হতাশ করব না। আমি কোনও দিন তালিবানের সঙ্গে এক ছাদের নিচে থাকব না। কোনও দিনও না।’ সকলের মতামতের অপেক্ষায় তিনি।

রবিবার তিনি জানিয়েছিলেন, কখনও ‘আমার নায়ক আহমেদ শাহ মাসুদের পথ’ এবং ‘আত্মার’ সঙ্গে কখনও বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না। প্রাক্তন মিলিটারি কমান্ডার ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৮৯ সালের মধ্যে সোভিয়েত দখলদারির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। মঙ্গলবারই তালিবান-বিরোধী গোষ্ঠীদেরও একত্রিত হওয়ার আর্জি জানান প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান সালেহ। সঙ্গে জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোর মতো হাল ছেড়ে দেননি। তিনি বলেছিলেন, ‘আফগানিস্তান নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের (জো বাইডেনের) সঙ্গে তর্ক করা একেবারেই বৃথা। তাঁকে এটা হজম করতে দেওয়া হোক। আমাদের অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে আফগানিস্তান মোটেও ভিয়েতনাম নয় এবং তালিবান বহু দূর থেকে ভিয়েতকং নয়। আমেরিকা বা ন্যাটোর মতো আমরা বিশ্বাস হারাইনি।’

এদিকে আফগানিস্তান তালিবানের দখলে চলে যাওয়ার পর আসরফ ঘানির বার্তা ছিল, তাঁর সামনে এদিন দু’টো কঠিন বিকল্প ছিল। হয় তালিবানের মুখোমুখি হতে হত অথবা তাঁর ‘প্রিয় দেশ’ ছেড়ে পালিয়ে আসতে হত। গত ২০ বছর ধরে এই দেশ রক্ষার স্বার্থে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেও উল্লেখ করেছেন ঘানি। তাঁর দাবি তিনি যদি থাকতেন তাহলে বহু আফগানের মৃত্যু হত আর কাবুল শহর ধ্বংস হয়ে যেত। কার্যত বিপর্যয় হতে পারত ৬০ লক্ষ মানুষের এই শহরে।