পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জন নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস)-এর স্ত্রীরোগ বিভাগে ঘটেছে। পাকিস্তানের জিও নিউজের এক প্রতিবেদন অনুসারে, দুর্ঘটনার সময় ওয়ার্ডটির নার্সারিতে ১৬ জন নবজাতক ছিল, যাদের মধ্যে মাত্র একজনকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।
🚨 اسلام آباد: پمز ہسپتال کے چلڈرن/متعلقہ وارڈ میں آگ بھڑک اٹھی۔ صورتحال سے متعلق مزید تفصیلات کا انتظار ہے۔ pic.twitter.com/tv83RNve3s
— Islamabad Updates (@IslamabadViews) August 26, 2026
সকাল ৭টায় আগুন লাগে
জিও নিউজের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন যে ব্যাপক প্রচেষ্টার পর হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। দমকল বাহিনীর একটি দল বর্তমানে শীতলীকরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে। জানা গেছে, সকাল ৭টায় হাসপাতালের তৃতীয় তলার স্ত্রীরোগ বিভাগে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো হাসপাতাল চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আগুন লাগার খবর পেয়ে ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের জন্য দমকল বাহিনীর ছয়টি গাড়ি পাঠানো হয়। চারটি অ্যাম্বুলেন্সও মোতায়েন করা হয়। নবজাতকদের মৃত্যুতে পরিবারগুলো শোকে মুহ্যমান। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন এই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। আগুন লাগার সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য প্রশাসন একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিটি ঘটনার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি ছিল কিনা, তাও তদন্ত করবে।
দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ একটি সরকারি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন এবং এই ঘটনার অবিলম্বে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, এই অগ্নিকাণ্ডে নবজাতক শিশুদের মৃত্যু হয়েছে। শরীফ বলেন, “শিশুদের নিয়ে যেকোনো মর্মান্তিক ঘটনা এক অপূরণীয় ক্ষতি।” পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) ১৯৮৫ সালে নির্মিত হয়েছিল। এটি ইসলামাবাদের বৃহত্তম এবং দ্বিতীয় প্রাচীনতম সরকারি হাসপাতাল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের করাচির একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জনের মৃত্যু হয় এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।







