পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি জেলা প্রশাসন

প্রতীকী ছবি।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পশ্চিম মেদিনীপুরঃ আসন্ন বর্ষায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্প্রতি সেচ ও পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমস্ত জেলার জেলাশাসককে নিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করেন। সেদিনই তিনি জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছিলেন জেলাস্তরে আভ্যন্তরীন প্রস্তুতি চুড়ান্ত করার। তারই পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহষ্পতিবার ব্লকগুলির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেন জেলাশাসক রশ্মি কোমল।

চলছে ভিডিও কনফারেন্স ।

সেই বৈঠকেই শুভেন্দুবাবুর অনুরোধে হাজির ছিলেন জেলা থেকে নির্বাচিত মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। হাজির ছিলেন পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিমাই চন্দ্র মণ্ডল, কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রমাপ্রসাদ গিরি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট দফতরের সমস্ত আধিকারিকরাও।সৌমেনবাবু বলেছেন, বর্ষার বৃষ্টিতে পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। কিন্তু বিভিন্ন জলাধারগুলি থেকে অপরিকল্পিতভাবে একসঙ্গে প্রচুর পরিমান জল ছাড়ার কারনেই সমস্যার সৃষ্টি হয়। রাজ্যকে না জানিয়ে জল ছাড়া যাতে না হয় সেজন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি বন্যাপরিস্থিতি তৈরি হলে নিজেদেরকেও সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে ঘাটাল, দাসপুর, সবং, পিংলা, দাঁতন থেকে শুরু করে যেসব ব্লকগুলিতে বন্যার সম্ভাবনা বেশী থাকে সেইসব ব্লকগুলিতে বাড়তি নজরদারিতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অধ্যাপক ড. সৌমেন কুমার মহাপাত্র।

আপতকালীন ত্রানশিবির তৈরি হলে সেখানে বেবীফুড থেকে শুরু করে অন্যান্য খাবার দাবারের রসদ এবং ত্রানসামগ্রী যাতে মজুত থাকে সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। আবার জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে ঘাটালে একটি জলের পাউচ তৈরির মেশিন বসানো হয়। স্বাস্থ্য বিভাগকেও বলা হয়েছে যাতে সাপের কামড়ের ইঞ্জেকশন থেকে শুরু করে অন্যান্য ওষুধপত্রও মজুত রাখা হয়। সৌমেনবাবুর দাবি পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি জেলা প্রশাসন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here