ক্ষমতা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নেপালে রাজনৈতিক তোলপাড় চলছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিকে গুন্ডুতে তাঁর বাসভবন থেকে নেপাল পুলিশ আটক করেছে। কাঠমান্ডু পোস্টের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, একটি গুরুতর ফৌজদারি মামলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নেপাল পুলিশ জানিয়েছে যে, মামলাটি খুনের (দোষী সাব্যস্তযোগ্য নরহত্যা) মতো একটি গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িত। এই মামলাটি সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত জেন জি বিক্ষোভের সাথে সম্পর্কিত। অভিযোগ করা হচ্ছে যে, সেই সময়ে বিক্ষোভ দমনের সময় কিছু ঘটনা ঘটেছিল, যা এই বিক্ষোভের সাথে সম্পর্কিত।
#WATCH | Kathmandu, Nepal: Former Nepal Prime Minister KP Sharma Oli being brought out of District Police Range, Kathmandu, to be taken to the hospital for a medical checkup. He was brought here after being taken into custody from his residence in Gundu, Bhaktapur, by Nepal… pic.twitter.com/3R22t3esp7
— ANI (@ANI) March 28, 2026
পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অলিকে আটক করেছে। এই ঘটনাটি নেপালের রাজনীতিতে বড় ধরনের তোলপাড় সৃষ্টি করতে পারে, কারণ কেপি শর্মা অলি দেশের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। উল্লেখ্য যে, কেপি শর্মা অলি ছাড়াও নেপালের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
#WATCH | Former Nepal Prime Minister KP Sharma Oli taken into custody from his residence in Gundu, Bhaktapur, by Nepal Police.
According to the Kathmandu Post, "he has been arrested in connection with a culpable homicide-related case linked to the alleged suppression of the… pic.twitter.com/S0zrAmPUFV
— ANI (@ANI) March 28, 2026
নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন
নেপালের তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিবেদনটিতে নেপাল পুলিশ, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং নেপাল সেনাবাহিনীর নির্দিষ্ট কিছু কর্মকর্তার কর্মকাণ্ড নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে, এই নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে এখনো কোনো সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে, সরকার প্রথমে পুরো বিষয়টি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।







