মমতার পর নির্বাচন কমিশনে নাম ও প্রতীক পাঠাল ঋতব্রত গোষ্ঠী

তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) মধ্যে চলমান নির্বাচনী প্রতীক লড়াই এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে, ঋতব্রত ব্যানার্জীর গোষ্ঠী তাদের রাজনৈতিক দলের জন্য ‘জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস’, ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস’ নামগুলো চূড়ান্ত করেছে। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনে নামের এই তালিকাটি জমা দেওয়া হয়। দলীয় নেতাদের সঙ্গে একটি অনলাইন বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মমতা ব্যানার্জীও নির্বাচন কমিশনে নাম পাঠিয়েছেন

এর আগে সূত্রে জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নতুন দলের পছন্দের তিনটি নাম ও নির্বাচনী প্রতীক সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে তথ্য দিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন যেভাবে এই অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করেছে, তারও তিনি ‘কড়া বিরোধিতা’ করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারির পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রতিক্রিয়া আসে।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কী?

বৃহস্পতিবার  মমতা ব্যানার্জ গোষ্ঠী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বক্তব্য শোনার পর নির্বাচন কমিশন একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ জারি করে জানিয়েছে যে, মমতা ব্যানার্জী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠী উভয়েই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

উভয় পক্ষকেই শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার মধ্যে তাদের নতুন নাম ও নির্বাচনী প্রতীক জমা দিতে হবে। উভয় পক্ষই নির্ধারিত সময়ের আগেই তাদের নাম জমা দিয়েছে। ঋতব্রত গোষ্ঠী নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র বিরোধিতা করেছেন।

নন্দীগ্রাম ও রাজনগরে আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে এটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য একটি বড় ধাক্কা। দুটি আসনেই আগামী ৬ই অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মমতা এবং ঋতব্রত উভয় গোষ্ঠীই প্রার্থী দিয়েছে। নাম ও প্রতীকের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কী হয়, তা দেখার বিষয় হবে।