বসনিয়ার বিরুদ্ধে জিততে না পারলেও ইতিহাস গড়ল কানাডা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দ্বিতীয় দিন, শুক্রবার, সহ-আয়োজক কানাডা ও বসনিয়া ১-১ গোলে ড্র করেছে। এই ড্রয়ের ফলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে কানাডা প্রথম পয়েন্ট অর্জন করল; এর আগে ১৯৮৬ থেকে ২০২২ সালের টুর্নামেন্টের মধ্যে তারা ছয়বার পরাজিত হয়েছিল।

কানাডাকে পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচানোর পুরো কৃতিত্ব বদলি খেলোয়াড় কাইল লারিনের, যিনি মাঠে নামার কয়েক মিনিটের মধ্যেই গোল করে স্কোর ১-১ এ সমতা এনে কানাডাকে পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচান।

টরন্টো স্টেডিয়ামে কানায় কানায় ভরা ঘরের মাঠের দর্শকের সামনে খেলতে নেমে, প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর মনে হচ্ছিল কানাডা তাদের টানা সপ্তম বিশ্বকাপ পরাজয়ের দিকেই এগোচ্ছে। কিন্তু ৭৬ মিনিটে বেঞ্চ থেকে নেমে লারিন প্রভাব ফেলেন। মাত্র দুই মিনিট পরেই তিনি সমতাসূচক গোলটি করেন, যা লাল পোশাক পরা সমর্থকদের মধ্যে উদযাপনের ঢেউ তোলে। গোলটি কানাডিয়ান ফুটবলের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত ছিল, কারণ এটি ছিল নিজেদের মাটিতে দেশটির প্রথম বিশ্বকাপ গোল।

এদিকে, ২১ মিনিটে নিজেদের প্রথম গোল করে বসনিয়া কানাডার বিপক্ষে এগিয়ে যায়। কর্নার থেকে আসা বলকে গোলে পরিণত করে ইয়োভো লুকিচ তার প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি করেন।

আগামী ১৮ই জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে বসনিয়া তাদের গ্রুপের ফেভারিট সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে, অন্যদিকে কানাডা একই দিনে ভ্যাঙ্কুভারে কাতারের বিপক্ষে খেলবে, এর মাধ্যমে উভয় দলই গ্রুপ ‘বি’-তে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

যুক্তরাষ্ট্র ৪-১ গোলে ম্যাচটি জিতেছে
টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ৪-১ গোলের জয় নিশ্চিত করে তাদের ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ অভিযান দুর্দান্তভাবে শুরু করেছে। শনিবারের ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি গোল করেন ফোলারিন বালোগুন এবং প্যারাগুয়ের হয়ে একটি গোল করেন মাউরিসিও।

এটিও উল্লেখ্য যে, ২২টি আসরের পর দল দুটি আবার মুখোমুখি হলো। ফিফা বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ে শেষবার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল ১৯৩০ সালের উদ্বোধনী টুর্নামেন্টে। এখন, ২২টি আসরের পর, ২৩তম মৌসুমে দল দুটি আবারও মুখোমুখি হলো।