ভারত এখন পাকিস্তানকে তার নিজের ভাষায় জবাব দিতে শুরু করেছে। সীমান্তে গোলাগুলি হোক বা পাকিস্তানের কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত, ভারত সরকার প্রতিবেশী দেশটিকে পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ দিয়ে জবাব দিয়েছে। উল্লেখ্য যে, তিন দিন আগে পাকিস্তান সরকার ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাসের বাইরের নিরাপত্তা ব্যারিকেড সরিয়ে দেয়, যার জবাবে ভারত সরকার এখন শাহবাজ সরকারকে একটি বড় ধাক্কা দিয়েছে। ভারত সরকার দিল্লিতে পাকিস্তান দূতাবাসের বাইরের নিরাপত্তা বেষ্টনীও তুলে নিয়েছে এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য বুলডোজার অভিযানও চালিয়েছে।
#WATCH | Delhi | Indian authorities dismantle the external security perimeter outside the Pakistan High Commission, removing traffic bollards and barricades that previously ring-fenced the diplomatic compound. pic.twitter.com/bVK5ul72Ov
— ANI (@ANI) August 19, 2026
#WATCH | Delhi | Indian authorities dismantle the external security perimeter outside the Pakistan High Commission, removing traffic bollards and barricades that previously ring-fenced the diplomatic compound. pic.twitter.com/QYvbj7s7fE
— ANI (@ANI) August 20, 2026
ভারত সরকার নয়াদিল্লিতে পাকিস্তান হাই কমিশনের ভিসা বিভাগের বাইরে থেকে কথিত অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে একটি বুলডোজার অভিযান চালিয়েছে। ইসলামাবাদে ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে থেকে কিছু খুঁটি সরানোর পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এই ঘটনাটিকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার আরেকটি লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তান হাই কমিশনের বাইরে বেশ কয়েক বছর ধরেই অবৈধ দখল ছিল এবং এই পদক্ষেপ পাকিস্তানকে এই বার্তা দেয় যে তাদের কার্যকলাপ উপেক্ষা করা হবে না।
Authorities in New Delhi on Thursday used a JCB machine to remove unauthorised structures and alleged encroachments at the Pakistan High Commission, in an apparent reciprocal move days after Pakistani authorities dismantled parking poles outside the Indian High Commission in… pic.twitter.com/IeT6aFfkEZ
— The Pioneer (@TheDailyPioneer) August 19, 2026
উল্লেখ্য যে, দূতাবাসের বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা সুযোগ-সুবিধা পরিবর্তন করে চাপ সৃষ্টি করা কূটনীতিতে কোনো নতুন কৌশল নয়। ভারত ও পাকিস্তান আগেও বহুবার একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। কূটনীতিক ও সহায়ক কর্মীদের সংখ্যা কমানো, যান চলাচলের ব্যারিকেড পরিবর্তন করা, পার্কিং সুবিধা সীমিত করা এবং দূতাবাসের বাইরে নিরাপত্তা তল্লাশি বাড়ানো—এ সবই অতীতে উভয় দেশের নেওয়া পদক্ষেপ। এই ধরনের প্রশাসনিক বিধিনিষেধকে অপর দেশকে একটি কড়া বার্তা পাঠানোর উপায় হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। এই সর্বশেষ ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন দুই দেশের সম্পর্ক এমনিতেই একটি নাজুক পর্যায়ে রয়েছে।








