রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল কিনতে পারবে না ভারত, বললেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী

ধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে বেশিরভাগ দেশে তেল সংকট গভীর হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইরান ও রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছিল, যার মেয়াদ এখন শেষ হয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র এই ছাড়ের মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেস্যান্ট বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঘোষণা করেছেন যে, রাশিয়া ও ইরান থেকে জ্বালানি কেনার জন্য দেশগুলোকে দেওয়া নিষেধাজ্ঞার ছাড়ের মেয়াদ ওয়াশিংটন বাড়াবে না।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী কী বলেছেন?

“আমরা রাশিয়া ও ইরানের তেলের জন্য সাধারণ লাইসেন্স নবায়ন করব না,” একটি সংবাদ সম্মেলনে বেসান্ত একথা বলেন। ১১ই মার্চের আগে জাহাজে বোঝাই করা বা পরিবহনের পথে থাকা তেল বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। বেসান্ত বলেন, সেই সমস্ত পুরনো তেল এখন ব্যবহার করা হয়েছে বা বিক্রি হয়ে গেছে।

তেল কেনার উপর ৩০ দিনের ছাড় ছিল

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ১২ই মার্চ একটি ৩০ দিনের অস্থায়ী ছাড় ঘোষণা করেছিল, যার ফলে ভারতীয় শোধনাগারগুলো আগে থেকে মজুত করা রুশ অপরিশোধিত তেল কিনতে পারবে। 

বিশ্ব বাজারে তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে, ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ভারতীয় শোধনাগারগুলোকে রাশিয়ান তেল কেনার অনুমতি দেওয়ার জন্য একটি অস্থায়ী ৩০-দিনের ছাড় জারি করছে। এই সিদ্ধান্তটি রাশিয়ার সুবিধার জন্য নয়। এটি শুধুমাত্র নিষেধাজ্ঞার সময় সমুদ্রে থাকা জাহাজগুলোকে তাদের পুরনো পণ্য বিক্রি করার অনুমতি দেয়। এতে রাশিয়া কোনো নতুন সুবিধা পাবে না,” ছাড়টি ঘোষণা করে দেওয়া এক বিবৃতিতে বেসান্ত একথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্র এই অস্থায়ী ছাড়টিকে বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য, বিশেষ করে অপরিশোধিত তেলের মূল্য স্থিতিশীল করার জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গিয়েছিল। ওয়াশিংটন একটি ৩০-দিনের লাইসেন্স ঘোষণা করে, যা অন্যান্য দেশগুলোকে ইরানের তেল কেনার অনুমতি দেয়। রাশিয়ার তেলের জন্য ছাড়টির মেয়াদ ১১ এপ্রিল শেষ হয়ে গেছে, অন্যদিকে ইরানের তেলের জন্য ছাড়টির মেয়াদ ১৯ এপ্রিল শেষ হবে।