পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শনিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এই আলোচনা নির্ধারণ করবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাতের অবসান ঘটবে কি না। লেবাননে ইসরায়েলি হামলার কারণে ইরান প্রাথমিকভাবে এই আলোচনায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে, পরে ইরান আলোচনায় সম্মত হয়। মার্কিন ও ইরানি নেতারা ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন।
এই শান্তি আলোচনার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরান সহযোগিতা করুক বা না করুক, হরমুজ প্রণালী শীঘ্রই পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, শান্তি চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা চালাবে।
#WATCH | Pakistan: Security tightened across Islamabad ahead of US-Iran talks. The Iranian and American delegations have landed in the Pakistani capital city.
(Video Source: Reuters) pic.twitter.com/J5XFSoRpF5
— ANI (@ANI) April 11, 2026
শান্তি আলোচনা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
- পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করবেন কারা: পাকিস্তান এই আলোচনার আয়োজক ও মধ্যস্থতাকারী উভয়ই। পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ আসিম মালিক।
- মার্কিন পক্ষে কারা থাকবেন: হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে যে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স। তাঁর সঙ্গে থাকবেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার।
- ইরান থেকে যারা উপস্থিত থাকবেন: ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ, উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত রাভানচি এবং সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহাম্মদ বাকির যুলঘাদজার।
- আলোচনা কখন শুরু হবে? যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা সকাল ৯টার দিকে শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এতে সম্ভবত আরও বেশি সময় লাগবে। উভয় দেশের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলে অবস্থান করবে, যেখানে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
- মুখোমুখি আলোচনা হবে কি? কর্মকর্তারা বলছেন, যদিও তারা একই হোটেলে থাকবেন, দুই দল মুখোমুখি আলোচনা করবে না। পরিবর্তে, উভয় পক্ষ আলাদা কক্ষে বসবে এবং পাকিস্তানি কর্মকর্তারা এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে বার্তা পৌঁছে দেবেন। কূটনৈতিক পরিভাষায়, এই ধরনের পরোক্ষ কথোপকথনকে ‘প্রক্সিমিটি টকস’ বা ‘নিকটবর্তী আলোচনা’ বলা হয়।
- আলোচনার বিষয়বস্তু কী হবে? এই আলোচনার প্রধান বিষয় হবে লেবানন ও হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধবিরতি। ইরান চায় লেবাননকে এই যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত করা হোক। ইরান এও নিশ্চয়তা চায় যে তারা আর কখনো হামলা চালাবে না।








