ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্রাক্তন চেয়ারম্যান ললিত মোদী ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিসিসিআই ঠাসা সূচির মাধ্যমে খেলোয়াড়দের ক্লান্ত করে ফেলছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, খেলোয়াড়দের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য ছুটি দেওয়া উচিত।
উল্লেখ্য যে , আইপিএল শেষ হওয়ার মাত্র কয়েকদিন পরেই পরেই ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সিরিজটি শুরু হবে । আইপিএল ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচটি ৩১শে মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ভারত ও আফগানিস্তান ৬ই জুন থেকে একটি মাত্র টেস্ট ম্যাচ খেলবে, যার পরে দুটি ওডিআই অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, আইপিএল ২০২৬ মরসুম শেষ হওয়ার মাত্র কয়েকদিন পরেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর ও অধিনায়ক শুভমান গিল অসন্তুষ্ট ছিলেন।
I agree. The bcci is killing their players with the hectic scheduling. Guys stop this outrageous scheduling you are putting the boys thru. They need time with their families and JUST OFF TIME – You don’t need the money. I CREATED ANNUITY Revenue which the world envy’s. You will… https://t.co/vkYYXa3kf6
— Lalit Kumar Modi (@LalitKModi) April 22, 2026
বিসিসিআই-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করলেন প্রাক্তন আইপিএল চেয়ারম্যান
একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে, ললিত মোদী সেইসব খবরের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যেখানে বলা হচ্ছে যে আইপিএল ২০২৬ মরসুমের পরে ক্লান্তির কারণে সিনিয়র খেলোয়াড়দের আসন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলিতে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। তিনি খেলোয়াড়দের মঙ্গলের জন্য বিসিসিআইকে এই অযৌক্তিক সময়সূচী বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ললিত মোদী এক্স-এ লিখেছেন, “আমি মানছি, বিসিসিআই তার কড়া সময়সূচী দিয়ে খেলোয়াড়দের সর্বনাশ করছে। বন্ধুরা, খেলোয়াড়দের ওপর এই যে অযৌক্তিক সময়সূচী চাপিয়ে দিচ্ছ, তা বন্ধ করো। তাদের পরিবারের সাথে সময় কাটানোর এবং একটু আরাম করার জন্য সময় দরকার। তোমাদের টাকার দরকার নেই। আমি এমন বার্ষিক আয়ের ব্যবস্থা করেছি যা দেখে সারা বিশ্ব ঈর্ষা করবে। ওই চেয়ারে বসে তোমাদের এসব নিয়ে কখনও চিন্তা করতে হবে না। ঈশ্বরের দোহাই, তোমাদের সিদ্ধান্তগুলো দিয়ে ভালো কিছু করো। খেলোয়াড়দের মঙ্গলই সর্বাগ্রে। তাদের দিয়ে অতিরিক্ত কাজ করাবে না, আর একারণেই আমি বলেছি যে বিসিসিআই-এর বেশিরভাগ সদস্যই খেলোয়াড় হওয়া উচিত।”
তিনি আরও লিখেছেন, “দোহাই লাগে, একজন পেশাদার সিইও নিয়োগ করুন। তাকে ভালো বেতন দিন এবং বিসিসিআই সংস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে মানবসম্পদ ও খেলোয়াড়দের আত্ম-উন্নয়নকে রাখুন। খেলোয়াড়দের দিয়ে গাধার মতো খাটানোর বদলে স্টেডিয়ামের উন্নতি এবং ভক্তদের বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য কাজ করুন। এই সংস্থাটির একটি হৃদয় ও আত্মা থাকুক।”








