যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং এবার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে হামলা হয়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কোহেস্তাকে মার্কিন বিমান হামলায় একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যেখানে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল।
মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে তেহরান এই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই সংঘাতে উত্তেজনাকে আবারও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্কিন হামলায় এমন একটি বাড়িকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল যেখানে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। এতে পাঁচজন নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।
(IRAN CRISIS: US-ISRAEL STRIKES IRAN)
BREAKING:
JUST IN
🔴 🇮🇱🇺🇸🇮🇷During the overnight US military strikes on Iran, several US missiles struck a wedding party in Kuhestak, southern Iran, killing six people and injuring 75 civilians, according to the Iranian Red Crescent.‼️ pic.twitter.com/IL9HI3pWgn
— Defensive Century (@Def_Century) September 1, 2026
ইরানের সংবাদমাধ্যম এসএসএনটিভি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। চ্যানেলটির দাবি, ভিডিওটিতে হামলায় আহত শিশু ও এক ব্যক্তিকে মিনাব হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে দেখা যাচ্ছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালালে তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দেয়। দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আবারও বেড়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ ও মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে এই সর্বশেষ হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোনে ফক্স নিউজকে আরও বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের রাডারে হামলা চালিয়েছে।
হরমুজ প্রণালীতে রবিবারের হামলার পর এই হামলাগুলো ঘটে, যা এক মাসব্যাপী সামরিক কার্যকলাপহীনতার আকস্মিক অবসান ঘটায় এবং ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে থেমে থেমে চলতে থাকা পুরোদস্তুর লড়াই পুনরায় শুরু হওয়ার হুমকি সৃষ্টি করে ।
এই নতুন সংঘাতটি শুরু হয়েছে যখন গত মাসে ধারণা করা হচ্ছিল যে ট্রাম্প অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইরানকে শাস্তি দেওয়ার দিকে এগোচ্ছেন, যদিও সোমবার তিনি স্বীকার করেছেন যে আরও কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন হতে পারে।








