চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলের ‘উদ্বেগ’, ইরান-মার্কিন চুক্তিতে এরপর কী ঘটবে?

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি শান্তি প্রস্তাবে সমঝোতা হয়েছে এবং উভয় দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিতে ইসরায়েল অসন্তুষ্ট। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিভেদ বৃহস্পতিবার স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যখন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরান চুক্তির সমালোচনাকারী ইসরায়েলিদের তীব্র আক্রমণ করে বলেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই ইসরায়েলের “একমাত্র শক্তিশালী মিত্র”। তিনি ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার কয়েকজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও চুক্তিটি নিয়ে “অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া” দেখানোর অভিযোগ করেন।

এদিকে, হোয়াইট হাউস বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করেছে যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স তার সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত করছেন, যেখানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন দফা আলোচনায় তার নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল। এই বিলম্ব যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে করা প্রাথমিক চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। এরপর কী হবে?

আমেরিকাকে সতর্ক করেছে ইরান

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের একটি নতুন প্রতিবেদন অনুসারে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ বলেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি লঙ্ঘন করলে তাদের ‘প্রতিশোধ’ নেওয়ার একটি পরিকল্পনা রয়েছে। আইআরআইবি নিউজের মতে, পরিষদটি বলেছে যে, “ইরানি জাতির পূর্ণ অধিকার পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত তারা শান্ত হবে না।” বিবৃতিতে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, “যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চুক্তির কোনো বিচ্যুতি বা লঙ্ঘন ঘটলে, পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আমরা শুধু কথায় বিশ্বাস করি না – জেডি ভ্যান্স

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে হওয়া ‘ভদ্রলোকের চুক্তি’র পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন, যেখানে ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুদ এবং পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা কীভাবে পরিচালনা করা হবে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়ে ভ্যান্স বলেন, “এই চুক্তিগুলোর কয়েকটি লিখিত আকারে রয়েছে, কিন্তু মূল বিষয় হলো, তা লিখিত হোক বা মৌখিক, আমরা এই চুক্তিটি সেভাবেই তৈরি করেছি, কারণ আমরা কথার ওপর নির্ভর করি না। আমরা কাজ এবং আচরণের ওপর নির্ভর করি।”

আমরা শুধু কথায় বিশ্বাস করি না – জেডি ভ্যান্স বলেছেন

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে হওয়া ‘ভদ্রলোকের চুক্তি’র পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন, যেখানে ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুদ এবং পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা কীভাবে পরিচালনা করা হবে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়ে ভ্যান্স বলেন, “এই চুক্তিগুলোর কয়েকটি লিখিত আকারে রয়েছে, কিন্তু মূল বিষয় হলো, তা লিখিত হোক বা মৌখিক, আমরা এই চুক্তিটি সেভাবেই তৈরি করেছি, কারণ আমরা কথার ওপর নির্ভর করি না। আমরা কাজ এবং আচরণের ওপর নির্ভর করি।”

এখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনা কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে?

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন দলটির রওনা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু আলোচনা-সম্পর্কিত লজিস্টিক চ্যালেঞ্জের কারণে সফরটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণাটি আসে আল-মায়াদিনের প্রতিবেদনের পর। আল-মায়াদিন হলো ইরান-সমর্থিত লেবাননের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে সংযুক্ত একটি প্যান-আরব স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল। চ্যানেলটি জানায়, লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে ইরান সুইজারল্যান্ডে তাদের