ভারত পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি, ৬জি নেটওয়ার্ক, বিকাশের একটি বড় বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও ২৪টি দেশের সঙ্গে ভারতও এখন নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং প্রতিযোগিতামূলক ৬জি প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে গঠিত একটি গোষ্ঠীর অংশ। এই উদ্যোগটি নতুন প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর আলোকপাত করে।
ডিজিটাল বিশ্বের ভবিষ্যতের জন্য ৬জি নেটওয়ার্ককে একটি মূল প্রযুক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আশা করা হচ্ছে, এটি আরও দ্রুতগতির ইন্টারনেট, দ্রুততর ডেটা স্থানান্তর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তির উন্নত ব্যবহার নিশ্চিত করবে। এই বৈশ্বিক উদ্যোগের একটি প্রধান লক্ষ্য হলো ৬জি নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত করা এবং কোনো একটি প্রযুক্তি বা কোম্পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে প্রতিযোগিতাকে উৎসাহিত করা।
India–U.S. cooperation in semiconductors, AI and data centres can drive jobs, innovation and a stronger digital economy. 🇮🇳🤝🇺🇸#DigitalIndia #SEMICONIndia #IndiaAI@howardlutnick @CommerceGov @JitinPrasada pic.twitter.com/vCspEvnwL0
— National e-Governance Division (@NeGD_GoI) September 8, 2026
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদা মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে দুই দেশ ৬জি-এর পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা সেন্টারের মতো দ্রুত বর্ধনশীল প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছে। বৈঠকে ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন ২.০-তে মার্কিন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। ভারত চায় বিশ্বব্যাপী সংস্থাগুলো সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে বিনিয়োগ করুক, যা ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনকে শক্তিশালী করবে।
আলোচনায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতাও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। উভয় দেশই এআই-এর নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছে। ভবিষ্যতে ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য এআই, সেমিকন্ডাক্টর এবং ডেটা সেন্টারের মতো ক্ষেত্রগুলিতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
জি-২০ ইনোভেশন সামিট চলাকালীন, ভারত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর, ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং রোবোটিক্সের মতো ক্ষেত্রগুলিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। ভারতের লক্ষ্য এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা, যা বৃহৎ পরিসরে প্রয়োগ করা যাবে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।








