জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি বড় অভিযান শুরু করেছে। বুধবার গভীর রাতে সোহান এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষে দুই সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহত দুজনই বিদেশি নাগরিক এবং জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যুক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাদের পরিচয় যাচাই করছে।
সোহান এলাকায় সন্দেহজনক কার্যকলাপের খবর পেয়ে নিরাপত্তা বাহিনী। রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, প্যারা স্পেশাল ফোর্সেস এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ যৌথভাবে একটি ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান শুরু করে। তল্লাশি অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের মুখোমুখি হয়, যার ফলে উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয়। এই সংঘর্ষ গভীর রাত পর্যন্ত চলে।
🚨🚨 Two terrorists killed in an encounter with security forces in the Majalta area of Udhampur !!
Search operation is still Underway.#udhampur #indianarmy
— Patriot Radar (@Patriot_Radar) September 17, 2026
সংঘর্ষের পর নিরাপত্তা বাহিনী সকালে ওই এলাকায় একটি তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে দুই সন্ত্রাসীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, উভয়ই বিদেশি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করেছে। তাদের পরিচয় এবং সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সন্দেহ করছে যে, নিহত দুই সন্ত্রাসী পাকিস্তান-ভিত্তিক জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেএম)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তবে, তাদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তদন্তকারী সংস্থাগুলো এও জানার চেষ্টা করছে যে, ওই দুই সন্ত্রাসী কতদিন ধরে উধমপুর এলাকায় ছিল এবং স্থানীয় বা অন্য কোনো সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সঙ্গে তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল কি না।
উধমপুরের এই অভিযানে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, প্যারা স্পেশাল ফোর্সেস এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ অংশ নেয়। নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এই সংঘর্ষের পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী আশেপাশের এলাকাগুলোতে অন্য কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপের তদন্ত করছে।
এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর জম্মু ও কাশ্মীরের বুদগাম জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে এক সংঘর্ষে লস্কর-ই-তৈবার এক কমান্ডার নিহত হন। তার নাম ইয়াসির। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মতে, ইয়াসির এর আগে সুন্দরমন মুসার নেতৃত্বাধীন লস্কর গোষ্ঠীর অংশ ছিলেন। তিনি প্রায় এক বছর আগে দলটি থেকে আলাদা হয়ে যান এবং স্বাধীনভাবে কাজ করছিলেন।








