মিশরের লোহিত সাগরের হুরঘাদা শহরের সমুদ্র উপকূলে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকালে একটি পর্যটক ডুবোজাহাজ ডুবে যায়। এই ভয়াবহ ঘটনায় (Accident) কমপক্ষে ৬ জনের মৃত্যু এবং ৯ জন আহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, এই ঘটনার পর প্রায় ২৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং গুরুতর আহত চারজন সহ বাকি সকল আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মিশরের হুরগাদা শহরের উপকূলে ডুবে (Accident) যাওয়া এই পর্যটন সাবমেরিনের নাম ছিল সিন্দবাদ। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকালে সমুদ্রতীরে বন্দরের কাছে ডুবে যাওয়া এই সাবমেরিনে প্রায় ৪৪ জন যাত্রী ছিলেন।
আহতদের জন্য ঘটনাস্থলে ২১টি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ঘটনাস্থলে ২১টি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়। সিন্দবাদ সাবমেরিনে মোট ৪৪ জন যাত্রী ছিলেন, যারা বিভিন্ন দেশের নাগরিক ছিলেন, যারা মিশরের লোহিত সাগরের গভীরে প্রবাল প্রাচীর এবং গ্রীষ্মমন্ডলীয় মাছের খোঁজ করতে গিয়েছিলেন। এই পর্যটন সাবমেরিনটি সমুদ্রের ৭২ ফুট গভীরতা পর্যন্ত যেতে পারে, কিন্তু কোনও অজানা কারণে এটি ডুবে যায়। তবে এই সাবমেরিনটি ডুবে যাওয়ার কারণ এখনও তদন্ত করা হচ্ছে।
সিন্দবাদ বছরের পর বছর ধরে পর্যটকদের জলের নিচে ভ্রমণের সুযোগ করে দিয়ে আসছে
সিন্দবাদ নামের এই পর্যটন সাবমেরিনটি বহু বছর ধরে পর্যটকদের জলের নিচের জগতে ভ্রমণে নিয়ে আসছে। এটি পর্যটকদের লোহিত সাগরের ২৫ মিটার (৮২ ফুট) গভীরতায় নিয়ে গিয়েছিল, যেখানে তারা ৫০০ মিটার প্রবাল প্রাচীর এবং জলের নিচের জগৎ দেখতে পারত।
সিন্দবাদের ওয়েবসাইট অনুসারে, এই সাবমেরিনটি বিশ্বের ১৪টি বাস্তব বিনোদনমূলক সাবমেরিনের মধ্যে একটি, যা ফিনল্যান্ডে ডিজাইন করা হয়েছিল। এই সাবমেরিনটি ৪৪ জন যাত্রী এবং দুইজন ক্রু সদস্যকে সমুদ্রে বহন করার ক্ষমতা রাখে।