ওমান উপসাগরে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী অবরোধ ভঙ্গকারী ইরানি জাহাজ ‘তুসকা’কে জোরপূর্বক আটক করেছে। এর জবাবে ইরান মার্কিন জাহাজে ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করেছে। এই ভূ-রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক তেল বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং সামুদ্রিক সংঘাতের জেরে সোমবার ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ৭.৫% বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০.১৭ ডলারে এবং ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ৬.৫% বেড়ে ৯৬.২৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। উত্তেজনা আরও বাড়লে তা ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুদ্ধের কারণে ভারতে জ্বালানির চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। তথ্য অনুযায়ী, পেট্রোল বিক্রি ৭.৬ শতাংশ এবং ডিজেলের ব্যবহার ৮.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে মানুষ জ্বালানি মজুত করছে, তবে সরকার নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের পর বলেছেন যে, ভারত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। বর্তমানে দেশের কাছে ৬০ দিনেরও বেশি সময়ের জন্য অপরিশোধিত তেল, পেট্রোল, ডিজেল এবং এটিএফ (বিমান জ্বালানি)-এর মজুদ রয়েছে। এছাড়াও, ৪০ দিনের এলপিজি এবং ৫০ দিনের এলএনজি-র মজুদ আছে।







