মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম বৈঠকেই পাকিস্তানকে বড় দায়িত্ব, ভারতের জন্য কতটা উদবেগের?

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে প্রতিষ্ঠিত কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠকটি পাকিস্তান, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের মধ্যে উদীয়মান নিরাপত্তা সমীকরণকে একটি নতুন ও আরও সুসংগঠিত রূপ দিয়েছে। ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি কেবল প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপরই আলোকপাত করেনি, বরং মক্কা প্রতিরক্ষা জোটকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় স্থাপন এবং প্রথম তিন বছরের জন্য পাকিস্তানকে এর নেতৃত্বের দায়িত্ব অর্পণের মতো বড় সিদ্ধান্তও গ্রহণ করেছে। এটি সেই সন্ধিক্ষণ, যেখানে চুক্তিটি এখন নিছক একটি রাজনৈতিক ঘোষণার গণ্ডি পেরিয়ে একটি সম্ভাব্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোতে রূপান্তরিত হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

গত ৭ই আগস্ট তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিধান হলো, এই তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিনটি দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য হবে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এটিকে ন্যাটোর ৫ নং অনুচ্ছেদের অনুরূপ একটি সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ধারণার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন যে এই জোট কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয় এবং এটি বিদ্যমান আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাগুলোকে প্রতিস্থাপন করবে না।