বৃহস্পতিবার ভীষণ রকমের হাঙ্গামা হতে দেখা গেল জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় (Jammu Kashmir Assembly)। ৩৭০ ধারা নিয়ে উত্তেজনা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছল। পোস্টারও ছিঁড়ে ফেলা হয়। সংসদ ২০ মিনিটের জন্য মুলতুবি হয়ে যায়। তবে, সকাল ১০:২০ মিনিটে আবার অধিবেশন শুরু হলেও বিজেপি বিধায়কদের হট্টগোল অব্যাহত থাকে, যার পরে স্পিকার পুরো দিনের জন্য অধিবেশন মুলতুবি রাখার সিদ্ধান্ত নেন।
Rucks in J&K Assembly over passing of special status bill passed yesterday .Scuffle between Sajad Lone of People's Conference and BJP legislators in the well of the house @LoneStatesman @BJP4India @BJP4JnK @OmarAbdullah @manojsinha_ pic.twitter.com/7Yb5c1Tg7k
— Ashwani Kumar (@ashwini1959) November 7, 2024
লাঙ্গেটের বিধায়ক শেখ খুরশিদ ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনার দাবিতে একটি পোস্টার নিয়ে সভায় (Jammu Kashmir Assembly) পৌঁছেছিলেন। এই পোস্টার দেখে বিজেপি বিধায়ক রেগে গিয়ে তাঁর হাত থেকে পোস্টার ছিনিয়ে নেন। এই সময় হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। বিজেপি বিধায়করা শেখ খুরশিদের হাত থেকে পোস্টার তুলে ছিঁড়ে ফেলেন। এরপরেই হাঙ্গামা শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা।
#WATCH | Srinagar: Ruckus and heated exchange of words ensued at J&K Assembly after Engineer Rashid's brother & Awami Ittehad Party MLA Khurshid Ahmad Sheikh displayed a banner on the restoration of Article 370. BJP MLAs objected to the banner display.
(Earlier visuals) pic.twitter.com/VQ9nD7pHTy
— ANI (@ANI) November 7, 2024
ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা রবীন্দ্র রায়না বলেছেন, জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা এখন ইতিহাসে পরিণত হয়েছে। ওমর আবদুল্লার সরকার পাকিস্তানকে উৎসাহিত করছে। ৩৭০ ধারা জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং পাকিস্তানের মানসিকতার জন্ম দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিধানসভায় (Jammu Kashmir Assembly) ৩৭০-র প্রস্তাব অসাংবিধানিকভাবে আনা এবং চোরের মতো লুকিয়ে তাড়াহুড়ো করে পেশ করা দেখায় যে ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে চায়। ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেস ভারত মাতার পিঠে ছুরি মেরেছে।

বিক্ষোভকারীরা ৩৭০ ধারা বাতিলের বিরুদ্ধে (Jammu Kashmir Assembly) সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। এদিকে, লংগেট বিধানসভা কেন্দ্রের আওয়ামী ইত্তেহাদ পার্টির বিধায়ক খুরশীদ আহমেদ শেখ সভায় ৩৭০ ধারা অপসারণ সম্পর্কিত একটি ব্যানার দেখাতে শুরু করেন। এরপরেই কংগ্রেস ও বিরোধীদের মধ্যে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপি নেতা ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সুনীল শর্মা ব্যানার প্রদর্শনের বিরোধিতা করেন। উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মার্শালদের উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসতে হয়। এরপরেই দিনের জন্য অধিবেশন মুলতুবি করে দেওয়া হয়। খুরশীদ আহমেদ শেখ বারামুল্লার সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার রশিদের ভাই।







