ভারতে ওয়াকফ সম্পত্তির খারাপ অবস্থা এবং অনিয়মের পরিপ্রেক্ষিতে, ওয়াকফ সংশোধনী বিল (Waqf Bill) প্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছে। এই সংশোধনী স্বচ্ছতা, ডিজিটালাইজেশন এবং জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করবে, যার ফলে ওয়াকফ সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে।
ওয়াকফ সম্পত্তি
প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে ১.২ লক্ষ কোটি টাকার ওয়াকফ সম্পত্তি অব্যবস্থাপনা এবং দখলের শিকার। ওয়াকফ বোর্ডের বিরুদ্ধে প্রায়শই সম্পত্তির অপব্যবহার এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
#WATCH | #WaqfAmendmentBill | BJP MP Anurag Thakur says, "This is not a Bill but UMMEED (Unified Waqf Management Empowerment, Efficiency and Development). This UMMEED has empowerment, efficiency and development. Looking at this, the people of the country are supporting it.… pic.twitter.com/iiYIjeWwSE
— ANI (@ANI) April 2, 2025
সংশোধনীর মাধ্যমে কী কী পরিবর্তন হবে?
সম্পত্তির অনলাইন রেকর্ডিং – ওয়াকফ সম্পত্তির তথ্য অনলাইন পোর্টালে পাওয়া যাবে।
নিবন্ধন প্রক্রিয়া অনলাইনে হবে – সম্পত্তির নিবন্ধন এখন ডিজিটালি করা হবে।
ছয় মাসের মধ্যে তথ্য প্রদান করতে হবে – ওয়াকফ বোর্ডের জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাদের সমস্ত সম্পত্তির বিবরণ প্রদান করা বাধ্যতামূলক হবে।
কঠোর নিরীক্ষার নিয়ম – সিএজি কর্তৃক নিযুক্ত নিরীক্ষকরা ওয়াকফ সম্পত্তি পরিদর্শন করবেন।
বিচার বিভাগীয় সংস্কার – এখন ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা যাবে।
তদন্ত প্রক্রিয়া জোরদার করা হবে – কালেক্টর স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওয়াকফ সংক্রান্ত বিষয়গুলি তদন্ত করবেন।
এই সংশোধনী কেন প্রয়োজন?
ভারতে ওয়াকফ বোর্ডের ৯.৬ লক্ষ একর জমি আছে, কিন্তু অব্যবস্থাপনা এবং দখলের কারণে তা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। কাতার এবং তুরস্কের মতো দেশে, ওয়াকফ সম্পত্তি কেন্দ্রীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, যার ফলে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
ওয়াকফ সংশোধনী বিলের (Waqf Bill) লক্ষ্য ওয়াকফ সম্পত্তির সুরক্ষা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। এর ফলে দরিদ্র ও অভাবীদের জন্য ওয়াকফ সম্পত্তির যথাযথ ব্যবহার সম্ভব হবে এবং দুর্নীতি রোধ করা যাবে