নেপালে বিধ্বংসী বন্যার এক সপ্তাহ কেটে গেছে , কিন্তু পরিস্থিতি এখনও ভয়াবহ। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়াদের সন্ধান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকারী দলগুলোর মতে, এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৬২টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, এবং প্রায় ৪,০০০ মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। আজ নুয়াকোটে একটি উদ্ধার অভিযান চলাকালে উদ্ধারকারীরা এক ভয়াবহ দৃশ্যের সম্মুখীন হন। ভেত্রাবন্তী এলাকার একটি বাড়ি থেকে তেইশটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
🚨 BREAKING NEWS
नेपाल के मेलुंग इलाके में अचानक बाढ़ आने से हड़कंप मच गया।
देखते ही देखते लोग सुरक्षित जगह की ओर भागने लगे और मौके पर बचने की जद्दोजहद शुरू हो गई।
अचानक आई बाढ़ का खौफनाक मंजर कैमरे में कैद!#nepal #nepalflood #mailung #flood #flashflood pic.twitter.com/3gVykipD3i— News Corridors (@News_Corridors_) August 31, 2026
গন্ডক নদী থেকেও ২৩টি মৃতদেহ উদ্ধার
এদিকে, নেপালের ভোটেকোশির বন্যার প্রভাব এখন ভারতেও পৌঁছেছে। ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত গণ্ডক নদী থেকে তেইশটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ভারতীয় কর্মকর্তারা সেগুলো নেপালি সংস্থাগুলোর কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। নেপালে উদ্ধার অভিযানে জড়িত কর্মকর্তাদের মতে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের জন্য সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি হলো রাসুয়া জেলার উত্তরগয়া গ্রামে, যেখানে প্রায় ৩৫০ জন ছাত্র এখনও নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে, ত্রিশূলী ৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে প্রায় ৪০-৪২ জন প্রকৌশলী আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ছয় দিন পরেও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়নি। একইভাবে, ত্রিশূলী ৩বি প্রকল্পে প্রকৌশলী, কর্মকর্তা এবং শ্রমিকসহ ১১৮ জনের সাথে এখনও যোগাযোগ করা যায়নি।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের এক সপ্তাহ পর, সামনে এখন এক নতুন চ্যালেঞ্জ। ধ্বংসস্তূপ ও জলাভূমিতে চাপা পড়া মৃতদেহগুলো পচতে শুরু করেছে। দুর্গন্ধ এখন এলাকাটিতে মহামারীর ঝুঁকি তৈরি করেছে। উদ্ধারকারী দলগুলোকে এখন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রোগ প্রতিরোধের বাড়তি চাপের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
💔🇳🇵Heartbreaking visuals show a terrifying wall of floodwater and debris sweeping through an area, leaving destruction in its path.
⚠️ The video is widely being shared as footage from Nepal, but we have not independently confirmed the exact location or date.#nepal #flood… pic.twitter.com/gUUi1ZNeVV
— pradhyumn sharma (@pradhyu78651514) August 31, 2026
ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি
নেপালের সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মতে, এখন পর্যন্ত ৯০০ জনেরও বেশি মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ৪,০০০ জনেরও বেশি মানুষের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, রাসুয়াগড়ি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে যে, সেনাবাহিনীর দল প্রকল্পের টানেলে পৌঁছালেও ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রবেশ করা অসম্ভব।
কোম্পানির এক কর্তা জানান, উদ্ধারকারীরা সুড়ঙ্গের এমন এক অংশে পৌঁছান যেখানে পথ মাত্র এক বা দুই ফুট চওড়া ছিল, কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন সুড়ঙ্গটি পুরোপুরি বন্ধ। সামনে এগোনোর জন্য ড্রিলিং মেশিনসহ ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন ছিল, যা সেখানে না থাকায় দলটি ফিরে আসতে বাধ্য হয়। ওই কর্মকর্তা সরকারের কাছে অতিরিক্ত সরঞ্জামের জন্য আবেদন করে বলেন, আপার ত্রিশুলি প্রকল্পের মতো একই কৌশল এখানেও অবলম্বন করা উচিত।
Terrifying footage shows a flash flood sweeping through the Nepal–Tibet border, trapping people on rooftops and balconies. At least 469 have been killed, with hundreds still missing. pic.twitter.com/xRgRWmwut7
— Weather Monitor (@WeatherMonitors) August 28, 2026
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছিল যে, ভোটেকোশী নদীর পানি উপচে পড়ার পর প্রকৌশলী ও ড্রোন চালকসহ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল টানেলের ভেতরে তল্লাশি চালায়। ড্রোনের সাহায্যে চালানো তল্লাশিতে টানেলের শেষ প্রান্তে কাউকে দেখা যায়নি, যদিও দলটি ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। আশ্বস্ত করার মতো খবর হলো, সোমবার দুপুরের মধ্যে নেপালি সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ভোটেকোশীর বন্যা-আক্রান্ত এলাকা থেকে ১,৩৩০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে।








