প্রখ্যাত প্রাক্তন টেনিস খেলোয়াড় লিয়েন্ডার পেজ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে তিনি শপথ গ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য যে, লিয়েন্ডার সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সফরকালে বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের সঙ্গে দেখা করেন। সেই বৈঠকে সৌমিক ভট্টাচার্যও উপস্থিত ছিলেন।
অতীতেও অনেক খেলোয়াড় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন
লিয়েন্ডার পেজের আগেও বিভিন্ন খেলার অসংখ্য ক্রীড়াবিদ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এঁদের মধ্যে কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, কেউ মন্ত্রী হয়েছেন এবং কেউ কেউ রাজ্যসভার সাংসদও হয়েছেন।
রবীন্দ্র জাডেজা ২০২৪ সালে বিজেপিতে যোগদান করেন। তিনি বিজেপির একজন সদস্য হলেও বর্তমানে কোনো নির্বাচিত পদে অধিষ্ঠিত নন।
উদীয়মান তারকা রাজবর্ধন সিং রাঠোর প্রায় ২০০৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। তিনি একজন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় সাইনা নেহওয়ালও ২০২০ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। তিনিও বর্তমানে দলটির একজন সদস্য।
এছাড়াও ববিতা ফোগাট, কীর্তি আজাদ, চেতন চৌহান, কেদার যাদব, এস. শ্রীশান্ত, কল্যাণ চৌবে, অরিন্দম ভট্টাচার্য এবং বিজেন্দ্র সিংও বিজেপির সদস্যপদ নিয়েছেন।
প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোত সিং সিধুও একসময় বিজেপিতে ছিলেন কিন্তু পরে দল ছেড়ে দেন। রবীন্দ্র জাডেজার স্ত্রী, রিভাবা জাডেজা, ইতিমধ্যেই গুজরাটে বিজেপির বিধায়ক।
#WATCH | Delhi: Former ace Tennis star Leander Paes joins the BJP, in the presence of Union Ministers Kiren Rijiju and Sukanta Majumdar. pic.twitter.com/qIDW1OovWz
— ANI (@ANI) March 31, 2026
রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদে উন্নীত হন
বিজেপিতে যোগদানের পর এখন পর্যন্ত রাজবর্ধন সিং রাঠোরই রাজনীতির সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
লিয়েন্ডার পেজ দলে যোগ দেওয়ায় বিজেপির কী লাভ হবে?
লিয়েন্ডার পেজের বিজেপিতে যোগদান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জন্য সুবিধাজনক হতে পারে, কারণ তিনি কলকাতার সঙ্গে যুক্ত এবং সেখানে তাঁর শক্তিশালী ভক্তগোষ্ঠী রয়েছে। এর অর্থ হলো, তিনি একটি বিশাল ভোটব্যাঙ্ককে আকৃষ্ট করতে পারেন। উপরন্তু, পেস প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হলে তা উচ্চ-মধ্যবিত্ত এবং শহুরে ভোটব্যাঙ্ককে প্রভাবিত করতে পারে। পেজকে বিজেপিতে নিয়ে আসা তরুণদেরও আকৃষ্ট করবে এবং যুব ও ক্রীড়া অনুরাগীদের কাছে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে। তরুণদের ভোটদান বৃদ্ধি বিজেপির জন্য সুবিধাজনক হতে পারে।








