‘আমি মুকুল চৌধুরীকে ভারতের সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান বানাবো’, বড় ভবিষ্যদ্বাণী এলএসজি কোচের

লখনউ সুপার জায়ান্টসের ২১ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান মুকুল চৌধুরী আইপিএল ২০২৬-এ কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে এমন একটি ইনিংস খেলেছেন যা ভক্তরা দীর্ঘকাল মনে রাখবে। তিনি ২৭ বলে ৫৪ রান করে এলএসজিকে পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন। এই ইনিংসের পর ক্রিকেট বিশ্বে এখন শুধু মুকুল চৌধুরীকে নিয়েই আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে আইপিএল শুরুর আগে জাস্টিন ল্যাঙ্গার মুকুলকে নিয়ে একটি বড় ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, যা এখন সত্যি বলে প্রমাণিত হচ্ছে।

মুকুল চৌধুরী সম্পর্কে জাস্টিন ল্যাঙ্গার কী বলেছেন?

ল্যাঙ্গার আগেই মুকুল চৌধুরীকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে তিনি তাকে ভারতের সবচেয়ে বিপজ্জনক ৬ বা ৭ নম্বর ব্যাটসম্যান বানাবেন। কেকেআরের বিরুদ্ধে মুকুল চৌধুরীর দুর্দান্ত ইনিংসের পর এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে। লখনউ সুপার জায়ান্টস সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছে, যেখানে একটি অনুশীলন সেশনের সময় ল্যাঙ্গারকে মুকুলকে বলতে দেখা যাচ্ছে যে, আগামী চার মাসের মধ্যে আমি তোমাকে ভারতের সবচেয়ে বিপজ্জনক ৬ বা ৭ নম্বর ব্যাটসম্যান বানাবো। এখন ভক্তরা কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের এই ভবিষ্যদ্বাণীর প্রশংসা করছেন।

দলের প্রয়োজনে মুকুল চৌধুরী দুর্দান্ত ইনিংস

কেকেআরের বিপক্ষে মুকুল চৌধুরীর ইনিংসের কথা বলতে গেলে, দল যখন বিপদে ছিল, তখন মুকুল ব্যাট করতে আসেন। সেই সময় দল ৭টি উইকেট হারিয়েছিল এবং তাদের ৫০ রানের বেশি প্রয়োজন ছিল। মুকুল এখানে হাল ছাড়েননি এবং কেকেআরের বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে মাত্র ২৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। মুকুল তার ইনিংসে ৭টি বিশাল ছক্কা হাঁকান। তিনি কেকেআরের ফাস্ট বোলার কার্তিক ত্যাগী ও বৈভব অরোরাকে নিশানা করে মাঠের প্রতিটি কোণে শট খেলেন। এই ইনিংসে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ২০০। তার সামনে কলকাতার বোলারদের অসহায় মনে হচ্ছিল।

ছক্কা মারার ক্ষমতা নিয়ে মুকুল চৌধুরীর বক্তব্য

সংবাদ সম্মেলনে মুকুল চৌধুরী এই ইনিংসটি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে তিনি ছোটবেলা থেকেই বড় শট খেলার অনুশীলন করেছেন। তিনি বলেন, “আমি প্রতিদিন ১০০-১৫০টি ছক্কা মারার চেষ্টা করতাম। আমি ধোনির ব্যাটিং এবং তিনি যেভাবে ইনিংস শেষ করতেন তা দেখতাম। তিনি ইয়র্কারেও ছক্কা মারতেন। এমন বলে ছক্কা মারলে বোলার অন্য কিছু ভাবতে শুরু করে। একজন ফিনিশার হিসেবে আমিও একই কাজ করার চেষ্টা করি।”