ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙ্গন শিল্পাঞ্চলে! ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান প্রায় ৫০০ জনের

খবর এইসময়ঃ  ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বিজেপি ও সিপিআইএমে বড় ভাঙ্গন। দমদম ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার দলীয় কার্যালয় টিটাগড় টাটাগেট এলাকার কার্যালয়ে প্রায় ৫০০ জন যোগদান করলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এরমধ্যে সিপিআইএমের গারুলিয়া পৌরসভার দুবারের বিদায়ী পৌরমাতা  ও ব্যারাকপুর পৌরসভা 7 নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী পৌর মাতা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপি সহ সভাপতি অর্জুন সিং এর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ভিশাল যাদব, দেবেন্দ্র যাদব, ব্যারাকপুরের প্রাক্তন বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের ঘনিষ্ঠ গোপাল পাল সহ অন্যান্য অনেকে।

এই দিনের যোগদান কর্মসূচি নিয়ে বলতে গিয়ে ব্যারাকপুর এর বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী জানান “আমার মনে হয় যারা এখন তৃণমূলে যোগ্য দিয়েছেন তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের সঙ্গী হতে চাইছেন। এখন আর বিরোধীরা নেই। রাজনীতি, মারামারি গুন্দাগিরি এসব আমাদের কিছু করার নেই। আমার মনে হয় বিজেপি, সিপিএম বা অন্য যে দল থেকে যারা আসছেন, তারা আসছেন উন্নয়ন করতে, মানুষের সঙ্গে আরও জনসংযোগ বাড়াতে। সারা বাংলা তথা সাড়া ভারতবর্ষ জুড়ে যে উন্নয়ন হচ্ছে তার সাথী হতে আসছেন।

তার জন্যই আমরা সকলকে স্বাগত আছি। এটা একটা ভালো লক্ষণ। সবাই আমাদের দলে আসতে চাইছে। কেউ সিপিএম করতেন তারা আমাদের দলে যোগদান করলেন আবার কেউ তৃণমূল কংগ্রেস করতেন বিজেপিতে গিয়ে পুনরায় আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন। তারা স্বীকার করয়েছেন যে ভুল করে তারা বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, আমাদের ক্ষমা করে আবার পুনরায় দলে নেওয়া হোক।”

বিভিন্ন দল থেকে আসা এত মানুষ তৃণমূলে যোগ দিলেন তাতে কি পুরভোটে কোন অসুবিধা হবে? এই প্রসঙ্গে ব্যারাকপুর এর বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী বলেন ” পুরসভার নির্বাচন যেটা হবে সেটা মানুষ ভোট দেবেন কিন্তু এই যে সংগঠনটি এত বড় হচ্ছে সংগঠনটা আরো শক্তিশালী হচ্ছে এটাতে আমাদের একটা সুবিধা হবে। মানুষের কাছে পৌঁছোতে সুবিধা হবে, মানুষের কাজ করতে আমাদের আরও সুবিধা হবে। “

Google news