সোমবারের ব্যাপক হট্টগোলের পর দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তর খালি করে দিয়েছিল। তবে, গভীর রাতে বিক্ষোভকারীরা সেখানে আবার জড়ো হতে শুরু করে, কিন্তু পুলিশ কাউকে বাধা দেয়নি। এদিকে, আজ তেলাপোকা জনতা পার্টির বিক্ষোভ আবার শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বাধা দেবে না এবং স্পষ্ট করে দিয়েছে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিক্ষোভকারীরা তাদের মঞ্চ পুনরায় সাজিয়েছে, এবং পুলিশও নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। এদিকে, রাহুল গান্ধী কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে অবস্থান ধর্মঘটে বসেছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এসেছিলেন। দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হলেও রাহুল গান্ধী রাজি হননি। দিল্লি পুলিশ তাঁকে যন্তর মন্তরে যাওয়ার অনুরোধ করলেও রাহুল গান্ধী তা প্রত্যাখ্যান করেন।
छात्रों पर हमला हर भारतीय परिवार पर हमला है।
प्रधानमंत्री मोदी को लगता है कि वो बिना जवाब दिए, बिना किसी नतीजे का सामना किए बच निकलेंगे – नहीं कर पाएंगे, इस बार तो बिल्कुल नहीं।
मैं हर उस देशभक्त भारतीय से अपील करता हूं जो मानता है कि हमारे छात्रों को न्याय मिलना चाहिए -…
— Rahul Gandhi (@RahulGandhi) July 21, 2026
যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার রাস্তাগুলো খোলা থাকলেও সংসদগামী রাস্তাগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সোমবার সিজেপি নেতারা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন। সিজেপির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, সরকার তাদের বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। তবে, রাতে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অভিজিৎ দীপকে বলেন যে, সরকারের সঙ্গে এখন কোনো আলোচনা হবে না; যার কথা বলার প্রয়োজন, তিনি যন্তর মন্তরে আসবেন। এছাড়াও, আজ বেশ কয়েকজন বিরোধী নেতা যন্তর মন্তরে আসতে পারেন। সার্বিকভাবে, পুলিশ আজ অত্যন্ত সতর্ক এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।
#WATCH | Delhi: Union Minister Jitendra Singh engages in a conversation with Lok Sabha LoP Rahul Gandhi over Congress's ongoing protest at Lok Kalyan Marg. pic.twitter.com/D929hAzh8Q
— ANI (@ANI) July 21, 2026
দেশবাসীকে এই বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর এই হামলাকে প্রতিটি ভারতীয় পরিবারের ওপর হামলা বলে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বরকে উপেক্ষা করা যায় না।








